Search Results for: 144
লেমন ললি
উপকরণ : পানি ৪ কাপ, চিনি ১ কাপ, লেবুর রস ৬ টেবিল-চামচ, লবণ আধা চা-চামচ, লেমন এসেন্স ৭-৮ ফোঁটা, সবুজ রং প্রয়োজনমতো।
প্রণালি : ওপরের সব উপকরণ একসঙ্গে মিলিয়ে ছেঁকে নিতে হবে। আইসক্রিমের ছাঁচে ঢেলে ৫ থেকে ৬ ঘণ্টা ডিপ ফ্রিজে জমিয়ে পরিবেশন করুন।
রেসিপিটি প্রকাশিত হয় ৭ জুন ২০১১![]()
ম্যাংগো আইসক্রিম
উপকরণ : গুঁড়া দুধ ২ কাপ, পানি আড়াই কাপ, কর্নফ্লাওয়ার ১ টেবিল-চামচ, চিনি পৌনে ১ কাপ, ক্রিম ১ টিন, জেলাটিন গোলানো ১ টেবিল-চামচ, সিএমসি পাউডার গোলানো ১ টেবিল-চামচ, তরল গ্লুকোজ ১ চা-চামচ। ম্যাংগো পিউরি ১ কাপ, ২টি ডিমের সাদা অংশ, ২ টেবিল-চামচ চিনি।
প্রণালি : গুঁড়া দুধ, পানি, কর্নফ্লাওয়ার ও চিনি একসঙ্গে ব্লেন্ড করে নিতে হবে। মিশ্রণ প্যানে ঢেলে জ্বাল দিয়ে ঘন করে নিতে হবে। গরম অবস্থায় তরল গ্লুকোজ মেলাতে হবে। ঠান্ডা হয়ে এলে জেলাটিন ও সিএমসি মেলাতে হবে। ক্রিম ও ম্যাংগো পিউরি দিয়ে বিট করে ডিপে জমাতে হবে তিন ঘণ্টা। এরপর আবারও বিট করে জমাতে হবে। দুই ঘণ্টা পর পর বের করে ৩-৪ বার বিট করতে হবে। শেষের বার ডিমের সাদা অংশ ও চিনি দিয়ে বিট করে মেরাং দিয়ে বিট করে জমাতে হবে। ইচ্ছামতো সাজিয়ে পরিবেশন করুন।
শাহি কুলফি
উপকরণ : গুঁড়া দুধ ২ কাপ, পানি ৩ কাপ, চিনি ২ টেবিল-চামচ, কনডেন্সড মিল্ক আধা টিন, জাফরান ১ চিমটি (১ টেবিল-চামচ গোলাপজলে ভেজাতে হবে), কর্নফ্লাওয়ার ১ টেবিল-চামচ, ডিমের কুসুম ২টি, পেস্তা, কাঠবাদাম ও কাজুবাদাম স্বাদমতো।
প্রণালি : দুধ, পানি, চিনি, কনডেন্সড মিল্ক, কর্নফ্লাওয়ার ও ডিমের কুসুম সব একসঙ্গে ব্লেন্ড করে নিতে হবে। ব্লেন্ড করা মিশ্রণ প্যানে ঢেলে জ্বাল দিতে হবে। ঘন হয়ে এলে চুলা থেকে নামিয়ে নেড়ে নেড়ে ঠান্ডা করতে হবে। জাফরান গোলা ও বাদামকুচি দিয়ে নেড়ে মিলিয়ে নিতে হবে। ঠান্ডা মিশ্রণটি কুলফির ছাঁচে ঢেলে ডিপে জমাতে হবে ৫ থেকে ৬ ঘণ্টা।
রেসিপিটি প্রকাশিত হয় ৭ জুন ২০১১![]()
চকলেট আইসক্রিম
উপকরণ : গুঁড়া দুধ ২ কাপ, পানি আড়াই কাপ, চিনি ২ টেবিল-চামচ, চকলেটের দুটি ছোট বার, ক্রিম ১ টিন, ওভালটিন ৩ টেবিল-চামচ, তরল গ্লুকোজ ১ চা-চামচ, কনডেন্সড মিল্ক আধা টিন, জেলাটিন গোলানো ২-৩ টেবিল-চামচ, সিএমসি পাউডার গোলানো ১ টেবিল-চামচ, কর্নফ্লাওয়ার ১ টেবিল-চামচ।
প্রণালি : গুঁড়া দুধ, পানি, কনডেন্সড মিল্ক, চিনি, ওভালটিন ও কর্নফ্লাওয়ার একসঙ্গে ব্লেন্ড করে নিতে হবে। মিশ্রণ প্যানে ঢেলে চকলেট দিয়ে জ্বাল দিন। ঘন হয়ে উঠলে নামিয়ে তরল গ্লুকোজ মেলাতে হবে। কিছুটা ঠান্ডা হওয়ার পর সিএমসি ও জেলাটিন গোলা মেলাতে হবে। ঠান্ডা হওয়ার পর ক্রিম মিলিয়ে বিট করতে হবে। মিশ্রণটি ডিপ ফ্রিজে ২ ঘণ্টা রেখে জমাতে হবে। দুই ঘণ্টা পর পর বের করে বিট করতে হবে চার-পাঁচবার। শেষের বার মেরাং বানিয়ে একসঙ্গে মিলিয়ে জমাতে হবে। ২টি ডিমের সাদা অংশ ও গুঁড়া চিনি ২ টেবিল-চামচ একসঙ্গে বিট করে মেরাং বানাতে হবে। মিলিয়ে চূড়ান্তভাবে জমাতে হবে। ৫ থেকে ৬ ঘণ্টা জমার পর পরিবেশন করুন।
** আধা কাপ পানিতে ১ চা-চামচ জেলাটিন গুলিয়ে নিতে হবে। এই গোলা থেকে ১ টেবিল-চামচ।
**আধা কাপ পানিতে ১ চা-চামচ সিএমসি পাউডার গুলিয়ে নিতে হবে। এই গোলা থেকে ১ টেবিল-চামচ।
রেসিপিটি প্রকাশিত হয় ৭ জুন ২০১১![]()
বাঁশের চেয়ে কঞ্চি দড়
বিষয়টি আমার জন্য অত্যন্ত বেদনাদায়ক অন্য একটি কারণে। যে তিন ‘শক্তিমান’ ভাইয়ের দাপটে রব্বানী আজ ভিটেছাড়া হওয়ার পথে, তাদের মরহুম পিতা আবদুল করিম পাটোয়ারীকে আমি ব্যক্তিগতভাবে চিনতাম। অতিশয় সজ্জন হিসেবে চাঁদপুরে তো বটেই, ঢাকার রাজনৈতিক অঙ্গনেও তার খ্যাতি ছিল। তিনি বিত্তশালী ছিলেন না; একটা ব্যক্তিমালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানে চাকরি করতেন। আওয়ামী লীগ ছিল তার ধ্যানজ্ঞান। মিজানুর রহমান চৌধুরীর পাশে থেকে আবদুল করিম পাটোয়ারী চাঁদপুরে আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক ভিত মজবুত করতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন। ১৯৭০-এর সাধারণ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী হিসেবে তিনি প্রাদেশিক পরিষদ সদস্য নির্বাচিত হন। সে সুবাদে দেশ স্বাধীন হওয়ার পর তিনি ছিলেন গণপরিষদ সদস্য (এমসিএ)। একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে করিম ভাই সরাসরি অংশ নেন। তার সঙ্গে থাকা মুক্তিযোদ্ধারা পাকিস্তানের পক্ষে লড়াইরত অথবা লুটপাটরত কাউকে বন্দী করে নিয়ে এলে তিনি তাদের সঙ্গে সদয় ব্যবহার করার জন্য চাপ সৃষ্টি করতেন। এজন্য ক্যাম্পের তরুণ মুক্তিযোদ্ধারা শ্রদ্ধামিশ্রিত রসিকতা করে তার নাম দিয়েছিল ‘বিশ্বশান্তি’। তিনি এতে কিছু মনে করতেন না। এ কাহিনী তার মুখ থেকেই শোনা। ১৯৭৪ সালে তিনি চাঁদপুর পৌরসভার চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধু সপরিবারে নিহত হওয়ার পর দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি আওয়ামী লীগের বিপরীতে চলে যায়। সে অবস্থাতেও ১৯৭৮ সালে তিনি দ্বিতীয়বার চাঁদপুর পৌরসভার চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছিলেন। ব্যক্তিগত সততা, আপদে-বিপদে মানুষের পাশে দাঁড়ানো, অমায়িক ব্যবহার ইত্যাদি গুণের জন্য দলমত নির্বিশেষে সবাই করিম ভাইকে ভালোবাসত বলেই ভোটে দাঁড়িয়ে করিম ভাইকে কখনও হারতে হয়নি।
সর্বজন শ্রদ্ধেয় এই করিম ভাইয়ের ছেলেদের সম্পর্কে উল্টাপাল্টা কথা যখন কানে আসে তখন লজ্জায় মুখ লুকানোর জায়গা থাকে না। করিম ভাই কখনও খুঁটির জোরে দূরে থাকুক, নিজের জোরেও আইনকে প্রভাবিত করেননি। তার রাজনৈতিক প্রতিপক্ষরাও মুক্তকণ্ঠে একথা স্বীকার করবেন। বাংলায় ‘দৈত্য কুলে প্রহলাদ’ বলে একটি কথা চালু আছে। এখন দেখা যাচ্ছে প্রহলাদের ঘরেও দৈত্য জন্ম নেয়। করিম ভাই আজ বেঁচে থাকলে তার অতি স্নেহভাজন এবং সহ-মুক্তিযোদ্ধা রব্বানীর এই লাহনতি দেখলে কী করতেন জানি না।
এ প্রসঙ্গে আর একটি কথা না বললেই নয়। শুনেছি, রব্বানীকে কী করে বাড়ি থেকে উচ্ছেদ করা যায় তার যাবতীয় কর্মপরিকল্পনা ও কূটকৌশল নির্ধারিত হয় চাঁদপুর শহরের এক হিন্দু ব্যবসায়ীর ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে বসে। ওই ব্যবসায়ীও এ ব্যাপারে আন্তরিকভাবে সক্রিয়। ‘মুসলমানের অত্যাচারে হিন্দুর ভিটেছাড়া হওয়ার’ খবর মাঝে-মধ্যে মিডিয়ায় আসে। এখন হিন্দুর দাপটে একজন মুসলমান মুক্তিযোদ্ধা নিজ বাড়িতে নিরাপত্তাহীন হয়ে পড়েছে, অথচ এ খবর কেউ রাখে না। রাখলেও বলে না। তাতে নাকি ‘সংখ্যালঘু অধিকার’ ক্ষুণ্ন হবে। কী যন্ত্রণা!
স ঞ্জী ব চৌ ধু রী
Filed under: Artikel/Data (প্রবন্ধ)
Go to Source















