আবু রায়হান মোহাম্মদ ইবনে আহমদ আল বিরুনি

sumon_du_1294225455_1taif023blog_1262708441_6BIRUNI.jpg

sumon_du_1294225455_1-taif023blog_1262708441_6-BIRUNI মধ্যযুগের বিশ্বখ্যাত আরবীয় শিক্ষাবিদ, গবেষক, অত্যন্ত মৌলিক ও গভীর চিন্তধারার অধিকারী ছিলেন তিনি। তিনি ছিলেন গণিত, জ্যোতিপদার্থবিদ, রসায়ন ও প্রাকৃতিক বিজ্ঞানে পারদর্শী। এছাড়াও ছিলেন প্রসিদ্ধ ভূগোলবিদ, ঐতিহাসিক, পঞ্জিকাবিদ, দার্শনিক, চিকিৎসা বিজ্ঞান, ভাষাতত্ত্ববিদ এবং ধর্মতত্ত্বের নিরপেক্ষ বিশ্লেষক। স্বাধীন চিন্তা মুক্তবুদ্ধি, সাহসিকতা, নির্ভীক সমালোচক ও সঠিক মতামতের জন্যই তিনি যুগশ্রেষ্ঠ বলে স্বীকৃত।

হতে পারেন ভ্রাম্যমাণ বিউটিশিয়ান

image_1166_328093.jpg

image_1166_328093সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বদলে যাচ্ছে জীবনযাত্রা। নতুন সব চাহিদা যোগ হচ্ছে জীবনে। রূপচর্চায় মানুষ আগের চেয়ে অনেক বেশি আগ্রহী হয়ে উঠেছে, তাই বিউটিশিয়ানের খোঁজ পড়ছে। আপনিও হতে পারেন একজন বিউটিশিয়ান, আয়ও করতে পারেন ভালো। বিস্তারিত জানাচ্ছেন মাসিদ রণ

মানুষের সংখ্যা পেরিয়ে যাবে মোবাইল ফোন

image_40347.jpg

image_40347 প্রযুক্তির অগ্রগতির সাথে সাথে যে প্রযুক্তি পণ্যটি সবচেয়ে বেশি ছড়িয়ে পড়েছে বিশ্বজুড়ে, তার নাম মোবাইল ফোন। বয়সের দিক থেকে ৪০ বছর পার করলেও মোবাইল ফোনের এই বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়াটা বছর বিশেকের কথা। তবে এই দুই দশক সময়ের মধ্যে উন্নত বিশ্ব ছেড়ে উন্নয়নশীল তো বটেই, অনুন্নত দেশগুলোতেও ছড়িয়ে পড়েছে মোবাইল ফোন। বাংলাদেশের মতো দেশেও এখন সব ধরনের শ্রেণী-পেশার মানুষের হাতে হাতে মোবাইল ফোন। মোবাইল ফোনের ব্যবহার এমনভাবে বেড়েছে যে আর বছরখানেক সময়ের মধ্যে সারা বিশ্বে মানুষের সংখ্যাকে পেরিয়ে যাবে মোট ব্যবহূত মোবাইল ফোনের সংখ্যা। জাতিসংঘের তথ্যপ্রযুক্তি ও টেলিযোগাযোগ বিষয়ক সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন ইউনিয়ন (আইটিইউ) সম্প্রতি এই তথ্য জানিয়েছে। আইটিইউ জানিয়েছে, বর্তমানে বিশ্বব্যাপী মোবাইল সংযোগের সংখ্যা ৬.৮ বিলিয়ন বা ৬৮০ কোটি। আর বিশ্বের জনসংখ্যা ৭.১ বিলিয়ন বা ৭১০ কোটি। মোবাইল ফোনের ব্যবহার যেভাবে বাড়ছে, তাতে আইটিইউ ধারণা করছে, আগামী বছরের শুরুতেই মোবাইল গ্রাহকের সংখ্যা ছাড়িয়ে যাবে ৭০০ কোটি। আর সামনের বছরের মাঝামাঝিতে মোবাইল ফোন গ্রাহক সংখ্যায় পেরিয়ে যাবে মানুষের সংখ্যাকে। আইটিইউ জানিয়েছে, বিশ্বের অনেক দেশেই এখন মোবাইলের গ্রাহক সংখ্যা ওই দেশের জনসংখ্যার চাইতে বেশি। এসব দেশের মধ্যে সবার চাইতে এগিয়ে রয়েছে সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়ন। এখানে জনপ্রতি ১.৭টি মোবাইল গ্রাহক রয়েছে। ইউরোপ-আমেরিকার দেশগুলোতেও মোবাইল ফোনের গ্রাহক জনসংখ্যার চাইতে বেশি। বর্তমানে আফ্রিকায় মোবাইলের ব্যবহার সবচেয়ে কম। সেখানে প্রতি ১০০ জনে মোবাইলের গ্রাহক ৬৩ জন। বাংলাদেশও অবশ্য পিছিয়ে নেই মোবাইলের ব্যবহারে। বাংলাদেশ টেলিকম রেগুলেটরি কমিশনের ফেব্রুয়ারি মাসের তথ্য অনুযায়ী সারা দেশে মোবাইলের গ্রাহক রয়েছে প্রায় ৯ কোটি ৮৬ লক্ষ। ২০১৫ সাল নাগাদ এই সংখ্যা ১২ কোটি পেরিয়ে যাবে বলে ধারণা করছে প্রযুক্তি বিশ্লেষক সংস্থাগুলো। মোবাইল ফোনের এই ছড়িয়ে পড়াকে বিশ্বের জন্যই ইতিবাচক হিসেবেই মনে করছে আইটিইউ। মোবাইলেই বিভিন্ন সেবার সহজলভ্যতা প্রান্তিক পর্যায়ের মানুষের কাছেও আধুনিক সেবাকে পৌঁছে দিচ্ছে বলেই মন্তব্য আইটিইউ’র।

ট্রাইব্যুনালে কামারুজ্জামান

title

:: পরিবর্তন প্রতিবেদক :: জামায়াত নেতা মুহাম্মদ কামারুজ্জামানকে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে নয়টার দিকে প্রিজনভ্যানে করে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে আনা হয়েছে।
কামারুজ্জামানের রায়কে ঘিরে বুধবার থেকেই ট্রাইব্যুনাল এলাকায় কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। বিএনপি-জামায়াতের নেতৃত্বাধীন হরতালকে কেন্দ্র করে ট্রাইব্যুনাল এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।
সর্বশেষ সংবাদ অনুযায়ী সাড়ে দশটা থেকে রায় পাঠ শুরু করবেন ট্রাইব্যুনাল।
বৃহস্পতিবার সকালে ট্রাইব্যুনাল এলাকায় পুলিশ ও র‍্যাবের পাশাপাশি বিজিবি মোতায়েন করা …

কিভাবে লম্বা হওয়া যায়? লম্বা হওয়ার উপায় কী?

stethescope.203202143_std

উত্তরঃ লম্বা হওয়া না হওয়া জন্মগত, জেনেটিক্যাল ব্যাপার। সাধারণত ২১ থেকে ২৩ বছর বয়স পর্যন্ত মানুষ লম্বা হতে পারে। এর পর কোন ভাবেই শরীর উচ্চতার দিক দিয়ে আর লম্বা হয় না।
উঠতি বয়সে নিয়মিত খেলাধূলা করতে হবে, সুষম খাবার খেতে হবে, পর্যাপ্ত ঘুমাতে হবে। দৈহিক বৃদ্ধিতে বিশেষ করে লম্বা হওয়ার জন্য সাঁতার খুব ভালো একটা ব্যায়াম, কেননা এতে একই সময়ে শরীরের সমস্ত অঙ্গ-প্রতঙ্গের ব্যায়াম হয়।
বাড়ন্ত বয়সে আজে-বাজে দিকে মন দিয়ে দৈহিক বৃদ্ধিতে ব্যাঘাত সৃষ্টি করবেন না। ধূমপান, নেশা, মেয়েদের দিকে কুনজর দেয়া, পর্ণ মুভি, চটি গল্প, খুব বেশী হস্তমৈথুন ও সেক্স- এসব ব্যাপার খুব সচেতন ভাবে এড়িয়ে চলবেন।

এই গরমে তারুণ্যের পোশাক

image_41366.jpg

image_41366 নগরের তরুণরা বরাবরই ফ্যাশন সচেতন। ফ্যাশন হাউজগুলোও যেন তাদের মন বোঝে। তাইতো  ঋতুর সাথে তাল মিলিয়ে তৈরি হচ্ছে রুচিশীল ও ফ্যাশনেবল পোশাক। এই গ্রীষ্মে ফ্যাশন হাউজগুলো ছেলেদের জন্য তৈরি করছে গরমের উপযোগী শার্ট, ফতুয়া, টি-শার্ট। নগরের তিনটি ফ্যাশন হাউজের  হালহকিকত জানিয়ে দেয়া হল।

মুসলিম কালেকশন
বাংলা নতুন বছরে নতুন ডিজাইনের আকর্ষণীয় সুতি শার্ট নিয়ে এসেছে তারুণ্যের প্রিয় ব্র্যান্ড মুসলিম কালেকশন। ১০০ ভাগ সুতি কাপড়ে তৈরি এ শার্টগুলো এখন বাজারে পাওয়া যাচ্ছে।
এই গরমে হাল ফ্যাশনের কথা মাথায় রেখেই মুসলিম কালেকশন এই শার্টগুলো তৈরি করেছে। এসব শার্ট তৈরিতে ব্যবহার করা হয়েছে গরম উপযোগী আরামদায়ক কাপড়। শর্ট ও লং এসব চেক ও স্ট্রাইপ শার্টের কাটিংয়ে আনা হয়েছে ভিন্নতা। ফরমাল ও ক্যাজুয়াল শার্টে প্রাধান্য পেয়েছে সাদা, হালকা সবুজ, খয়েরি, গোলাপী, লাল, নীল, বেগুনি রং।

মুসলিম কালেকশনের চিফ ডিজাইনার ও স্বত্বাধিকারী মুসলিম আহমেদ  বলেন, ‘আমি দেশের তরুণদের জন্য শার্ট তৈরি করি।’

রিচম্যান
তৈরি পোশাকের বিখ্যাত ব্যান্ড রিচম্যানে শুরু হয়েছে আপনার প্রতিক্ষিত ছাড়। ছেলেদের পোশাক ও সব ধরনের অনুষঙ্গে ছাড় চলছে ৬০ % র্পযন্ত ।
এই বিশেষ অফার চলবে পুরো মে মাস জুড়ে। কেবল  বসুন্ধরা সিটির ১ ও ৩ নং লেভেলে অবস্তিত রিচম্যানের শো-রুমগুলোতে এই বিশেষ ছাড় পাওয়া যাবে।

বার্ডস আই
এই গরমে নতুন ডিজাইনের টি-শার্ট, পলো শার্ট, ফতুয়া ও শর্ট পাঞ্জাবি নিয়ে এসেছে দেশীয় ডিজাইনে সেরা ফ্যাশন হাউস বার্ডস আই।

নিজস্ব ডিজাইনারদের নকশায় তৈরি এসব পোশাক পাইকারি ও খুচরা পাওয়া যাচ্ছে ঢাকার আজিজ সুপার মার্কেটে বার্ডস আইয়ের দুটি শো-রুমে। আকর্ষণীয় এসব পোশাক তৈরিতে ব্যবহার করা হয়েছে গরম উপযোগী আরামদায়ক কাপড়।

বার্ডস আইয়ের শো-রুমে সব ধরনের পোশাক সারাদেশে পাইকারি ও খুচরা বিক্রয় করা হয়। যোগাযোগ : বার্ডস আই, ২৬ ও ৮ (২য় তলা) আজিজ সুপার মার্কেট, শাহবাগ।

(ঢাকাটাইমস/ই-ঢাকা/আসাদ/১৩.৪৩ঘ.)

গর্ভধারণের জন্য শরীর ও মন কি প্রস্তুত?

stethescope.203202143_std

গর্ভধারণ একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। কিন্তু এ জন্য চাই মায়ের শারীরিক ও মানসিক প্রস্তুতি। আমাদের দেশে বেশির ভাগ গর্ভধারণই অপরিকল্পিত। কিন্তু গর্ভধারণের আগে মায়ের সুস্বাস্থ্য ও প্রস্তুতি নিশ্চিত করা গেলে অনেক জটিলতাই এড়ানো সম্ভব।

জেনে নিন বিরক্তিকর হেঁচকির সমাধান

stethescope.203202143_std

হেঁচকি কেন হয় তা এখনো খুব স্পষ্ট নয় বিজ্ঞানীদের কাছে। দ্রুত খেতে চেষ্টা করলে, অনেক গরম ও মসলাদার খাবার খেলে, গরম খাবারের সঙ্গে খুব ঠান্ডা পানি বা পানীয় পান করতে শুরু করলে, অনেকক্ষণ ধরে হাসলে বা কাঁদলে হেঁচকি হতে পারে।

জন্ডিসের রোগীরা কি সব ধরনের খাবার খেতে পারবে?

stethescope.203202143_std

উত্তর: জন্ডিসের রোগীদের খাবারের ব্যাপারে তেমন কোনো বিধিনিষেধ নেই। তবে ভাইরাল হেপাটাইটিসে যকৃতের কার্যকারিতা কিছুটা হলেও ব্যাহত হয়। তাই যেসব খাবার হজম করতে পিত্তরসের প্রয়োজন হয়, সেগুলো এড়িয়ে চলাই উচিত। যেমন চর্বিজাতীয় খাবার (ঘি, মাখন, যেকোনো ভাজা খাবার বা ফাস্টফুড, গরু ও খাসির মাংস ইত্যাদি)। এতে যকৃৎ ও পিত্তথলির ওপর অতিরিক্ত কাজের চাপ সৃষ্টি হবে। জন্ডিসের রোগীদের ক্যালরির উৎস হিসেবে তাই সহজে হজমযোগ্য সরল শর্করা, যেমন—শরবত, ভাত, জাউভাত, সুজি, রুটি ইত্যাদি বেশি খাওয়া উচিত।

৩০ বার বুকে চাপ তারপর ২ বার শ্বাস

stethescope.203202143_std

পানিতে ডুবে মারা যাওয়ার মধ্যে শিশুর সংখ্যাই বেশি। পানিতে ডোবা ব্যক্তিকে উদ্ধার করার পর পরই প্রাথমিক চিকিত্সা দিতে পারলে মৃত্যুর হার অনেক কমে যাবে। যেকোনো শিক্ষিত ও সচেতন মানুষই এই চিকিত্সা দিতে পারেন।